পাহাড়,পাহাড়,পাহাড়
আরেকটু উঁচু হয়ে যদি দিতিস আড়
ধুলো ওড়ানো কালবৈশাখী,
আর মাটি ভেজানো বৃষ্টি পেতো রোজ-ই
এই পাষান ভূমি রাঢ়।
পাথুরে মাটি উঠলো তেতে
গরম হাওয়া
উপরে উঠে, উঠলো মেতে
জলীয় বাস্প ভরা হাওয়া
ধাক্কা খেয়ে উঠতো তোর গা বেয়ে
ঘনীভূত ওই মেঘপুঞ্জরা সব
ঝরতো অঝোর বৃষ্টি হয়ে।
তা নয় হলি নীচু
ভ্যাপসা গরম,
জোলো হাওয়ার দাপট
ছাড়ছে না আর পিছু।
ছেলেটা প্রচণ্ড ভুল করেছিল,
বাইক চুরি করে।
প্রমাণ সত্যিই প্রয়োজন ?
রহিম হলে পরে।
কুকুর হইতে মহামানব,
সবাই যোগাসনে ব্যস্ত ।
দাও যদি "পোস্ট" ফেসবুকে,
কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতে এরাই চোস্ত ।
শপথ নিলেন সম্রাট,
বৃহত্তর গণতন্ত্রের দামামা বাজিয়ে।
পাচ্ছে কৃপাপার্থীরা সুবিচার,
হাঁড়িকাঠে মাথা গলিয়ে ।
ছেলেটা আসলে ভুল করেছিল,
বাইক চুরি করে।
ক্ষমা করা কি যেত না ?
মানবতার খাতিরে।
১৬ ই জুন করবেন
পিতৃ দিবস পালন?
ছেলে- পিতা- বৃদ্ধ
হওয়া করি বর্ণন।
একটি ছোট্ট ছেলে
লালনে ওঠে বেড়ে।
গড়ল নিজ সংসার
মেয়েকে বিয়ে করে।
কয়েক বছর বাদে
হল সন্তানের পিতা।
যুগল জুটি ভাঙল,
একি করল বিধাতা!
ছেলে-মেয়ের বাপ
করল সব কর্তব্য।
সন্তানরা প্রতিষ্ঠিত,
এবার বাপ হল বৃদ্ধ।
বৃদ্ধকালে কি বৃদ্ধাশ্রমে?
সাদরে রহে পরিবারে।
বৃদ্ধের জন্মদিন পালন
হয় সন্তানের উপহারে।
শয্যাশায়ী হলেও তো
পায় বৃদ্ধ আদর যত্ন।
জীবনে অপার সুখ,
সন্তানেরা সত্যি রত্ন।
নিজের প্রিয় পরিবার
নিয়ে ভরাট সংসার।
বিপ্তনীক বৃদ্ধের তো
সংসারে দরকার।
সুখের সংসারে পূরণ
বৃদ্ধের শতবর্ষ বয়স।
সন্তানরা শ্রদ্ধায় করে
পালন "পিতৃ দিবস"।
একতাই বল আনে জানি,হবে তাই জোট বাঁধতে।
বিন্দুবিন্দু জলে গড়ে সিন্ধু, কথাটি হবে মনে রাখতে।।
একা যে আমি বড়ো বোকা,তুমি যদি থাকো সাথে।
সব বাধা করবোই জয়,পারবেনা কেউ কখনোই টলাতে।।
জীবনের পথ বড়ো দুর্গম, কাঁচ কাঁটা বারুদেতে ভরা।
রাক্ষস খোক্কস, ডাকিনী যোগিনীতে পূর্ণ হয়েছে এই ধরা।।
বিন্দুবিন্দু জলে গড়ে সিন্ধু, কথাটি হবে মনে রাখতে।।
একা যে আমি বড়ো বোকা,তুমি যদি থাকো সাথে।
সব বাধা করবোই জয়,পারবেনা কেউ কখনোই টলাতে।।
জীবনের পথ বড়ো দুর্গম, কাঁচ কাঁটা বারুদেতে ভরা।
রাক্ষস খোক্কস, ডাকিনী যোগিনীতে পূর্ণ হয়েছে এই ধরা।।
এসো বন্ধু, হাতে রাখো হাত, পিশাচের সাথে হবে লড়তে।
শয়তানের শয়তানি পুড়িয়ে,, নতুন সমাজ হবে গড়তে।।
ভেঙে দাও ঘুঘুদের বাসা, কাটমানি,সিণ্ডিকেট দাও উড়িয়ে।
পাপীদের মুখোশের প্রাসাদ,বিপ্লবের ঝড়ে দাও গুড়িয়ে।।
চেতনার জোয়ার আসুক আমাদের সকলের হৃদয়ে।
জ্বলছে সন্ত্রাসের আগুন,তবু থাকবোনা আমরা ভয়েভয়ে।।
লুটেপুটে খাচ্ছে যারা,দেশের সব ধনরত্ন, দিতে হবে শাস্তি তাদের।
আসবে সুখ শান্তি তবেই। এই প্রিয় দেশ আমাদের।
এই দেশ তোমার আমার, সকলের সমান অধিকার।
তবে কেন বিভেদ এত,,ধনী দরিদ্রে? কেন এত হাহাকার....?
শয়তানের শয়তানি পুড়িয়ে,, নতুন সমাজ হবে গড়তে।।
ভেঙে দাও ঘুঘুদের বাসা, কাটমানি,সিণ্ডিকেট দাও উড়িয়ে।
পাপীদের মুখোশের প্রাসাদ,বিপ্লবের ঝড়ে দাও গুড়িয়ে।।
চেতনার জোয়ার আসুক আমাদের সকলের হৃদয়ে।
জ্বলছে সন্ত্রাসের আগুন,তবু থাকবোনা আমরা ভয়েভয়ে।।
লুটেপুটে খাচ্ছে যারা,দেশের সব ধনরত্ন, দিতে হবে শাস্তি তাদের।
আসবে সুখ শান্তি তবেই। এই প্রিয় দেশ আমাদের।
এই দেশ তোমার আমার, সকলের সমান অধিকার।
তবে কেন বিভেদ এত,,ধনী দরিদ্রে? কেন এত হাহাকার....?
ফুটপাথে পথশিশু , কাঙাল ভিখারি, বেকারের কেন আর্তনাদ??
দেশের সুদিন এলো ফুরিয়ে,সামনেই দেখো বড়ো খাদ!!
কে বাঁচাবে এই পচা সমাজ? এসো সবাই একসাথে।
দড়ি ধরে মারো টান,,দুর্নীতির ইমারত লুটিয়ে পড়বে ধুলোতে।
দেশের সুদিন এলো ফুরিয়ে,সামনেই দেখো বড়ো খাদ!!
কে বাঁচাবে এই পচা সমাজ? এসো সবাই একসাথে।
দড়ি ধরে মারো টান,,দুর্নীতির ইমারত লুটিয়ে পড়বে ধুলোতে।
বলছি শোনোএকটা কথা আসছে মহাপুজো,
মা দুর্গার আগমনে সবাই খুশিতে মজো,
মা আসবেন কৈলাস থেকে সাথে কার্তিক লক্ষী,
সরস্বতী আর শ্রীগণেশ এখানেই তারশেষ কি?
মা দুর্গারসিংহবাহন সে না এলে চলে?
অসুর কে বাদ যদি দাও জমবে না তাহলে।
গণেশের বাহন ইঁদুর হংস স্বরস্বতীর
কার্তিকের বাহন ময়ূর পেঁচা হলো লক্ষ্মীর।
মা দুর্গাদশটি হাতে দশপ্রহরন ধরেন,
ত্রিশূল দিয়ে অসুরকে যে দুর্গা মা বধকরেন।
কার্তিক তো চিরকুমার গণেশের কলা বউ,
মনে হয় এই ব্যাপারটা অজানা নয় কেউ।
দুর্গা মাকে দেখতে আসে হাজার হাজার ভক্ত,
মাকে দেখে হয় তো তারা ভক্তিভাবে লিপ্ত।
মা মাত্র চারটি দিন থাকেন এ ধরায়,
মায়ের বিদায়েশত লোকের অশ্রু দেখা যায়।।
ছেলেটি আর মেয়েটির কিছু দিনের বন্ধুত্ব।
একদিন ছেলেটি মেয়েটিকে ফোন করলো কিছুক্ষন কথা বলার পর ছেলেটি দেখা করতে চাইল তার কথায় রাজি হয়ে মেয়েটি তার পরের দিন দেখা করতে আসলো একটি রেস্টুরেন্টে ।ছেলেটি সেদিন একটি গোলাপের চারা লাগলো তার বাড়িতে।
সেদিন ছেলেটি মেয়েটিকে বললো আমি তোমায় ভালোবাসি......
মেয়েটি কথাটি শুনে অবাক হলো সে কিছু না জানিয়ে বাড়ি চলে গেল।
বাড়ি ফিরে বন্ধুদের সাথে আলোচনা করলো ছেলেটির সম্মন্ধে,
বান্ধবীরা বললো ভালোবাসে বলেছে নিশ্চই এর পিছনে কোনো কারণ আছে ।
তুই জিজ্ঞাসা করবি কাল গিয়ে কি কারণ । তাদের কথা শুনে মেয়েটি যথারীতি পরের দিন দেখা করে ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করলো ।
তুমি আমায় ভালোবাসো তার কারণ কি ? আমি সুন্দরী তাই ?
ছেলেটি বললো তোমার থেকে অনেক বেশি সুন্দরী নিশ্চয়ই আছে ।
মেয়েটি বললো তাহলে কি আমার বাবার অনেক অর্থ তাই ?
ছেলেটি বললো তোমার বাবার থেকে আরো অনেক বড়লোক এই শহরে নিশ্চয় আছে ।
মেয়েটি বললো তাহলে কি আমি শিক্ষিত, গুণবতী তাই ?
ছেলেটি বললো তোমার থেকে কি আর বেশী কেও শিক্ষিত নেই ?
মেয়েটি বললো তাহলে কেন তুমি আমায় ভালোবাসো ?
ছেলেটি বললো ভালোবাসি ভালোবাসি
তার তো কোনো কারণ নেই , কাউকে কি ভালোবাসতে গেলে কোনো কারণ লাগে?
কি জানি বাপু, কিন্তু আমার কাছে ভালোবাসতে গেলে তো কোনো কারণ লাগে না ।
মেয়েটি বললো আচ্ছা তুমি কি আমার কাছ থেকে কিছু চাও ?
ছেলেটি বললো তাও নয় ভালোবেসে আমি শুধু দিতে জানি চাইতে নয় ।
আমি শুধু তোমায় ভালোবাসি আর ভালোবাসবো।
তার বদলে তোমায় কিছুই দিতে হবে না, এমনকি তোমার কাছ থেকে ভালোবাসাও চাইবো না।
এরপর তারা বাড়ি ফিরে এলো ছেলেটির কথা গুলো মেয়েটির মস্তিষ্কে ভালোবাসার রসদ যুগিয়ে বেড়াচ্ছিল।
সে তার বান্ধবীদের সাথে এই ব্যাপারে আলোচনা করলে, বান্ধবীরা জানায় কারণ ছাড়া ভালোবাসা সেটা আবার কেমন, ধুর এখনকার দিনে এসব হয় নাকি ।
নিশ্চয় কোনো মতলব আছে ।
পরের দিন মেয়েটি ছেলেটির সাথে আবার দেখা করলো । আজকে ছেলেটির গোলাপ গাছে একটি কুঁড়ি ধরেছে ।
তারা আজকে একটি নদীর পাড়ে গিয়ে বসেছে গল্প করতে করতে হটাৎই মেয়েটি বললো তুমি আমার কাছ থেকে কি চাও?
ছেলেটি বললো ভালোবাসার বদলে আমি তো কখনো কিছু চাইনি।
মেয়েটি বললো যদি আমার কাছে তোমার কিছু চাওয়ার না থাকে তাহলে তো একদিন আমি হারিয়ে যাব ।
ছেলেটি বললো তোমাকে আমি কখনো পেয়েছি নাকি তাই হারানোর ভয় পাবো।
মেয়েটি সারাদিন ভাবে ছেলেটির কথা সে তার বান্ধবীদের জানিয়েছে, ছেলেটি অনেক আলাদা, সবার থেকে অনেক আলাদা ।
এইভাবে তাদের মেলামেশা বাড়তে থাকে ,আর মেয়েটি আস্তে আস্তে ছেলেটিকে ভালোবেসে ফেলে।
ছেলেটি একদিন জানায় যে সে বাঁশি বাজাতে খুব ভালোবাসে রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে যায় সে তখন বাঁশি বজায়, আর তার বাঁশির সুরে মেয়েটি নাচে।
মেয়েটি শুনে হেসেছিল বললো এটা তোমার স্বপ্ন বুঝি ?
ছেলেটি বলেছিল হুঁ, বাস্তবে যাকে ধরা যায়না স্বপ্নে তাকে অনায়াসেই ধরা যায়, বাস্তব যেখানে শেষ হয়, স্বপ্ন সেখান থেকেই শুরু হয় ,তাই আমি স্বপ্ন দেখতে খুব ভালোবাসি।
মেয়েটি বললো ঠিক আছে তোমার বাঁশি একদিন শুনবো।
পরের দিন ছেলেটির গোলাপের কুঁড়িটি ফুলে পরিণত হয়েছে দেখে সে খুব খুশি হয়েছে
এই প্রথম ফুলটা সে তার ভালোবাসাকে দিতে চায়, তাই সাথে করে নিয়ে গেল আর নিলো তার বাঁশি।
আজকে মেয়েটি তার বাঁশি শুনলো মুগ্ধ হয়ে।
মেয়েটি বললো তুমি অনেক সুন্দর বাঁশি বাজাও।
আর জিজ্ঞাসা করলো কাল ও কি স্বপ্ন দেখেছিলে?
ছেলেটি বললো, হ্যাঁ... আমি রোজ স্বপ্ন দেখি রোজ। ডাক্তার বলেছে স্বপ্ন দেখে দেখে আমার মাথার শিরা উপশিরা গুলো জট পাকিয়ে গেছে এখন স্বপ্ন দেখতে গেলে আমার মাথায় তীব্র যন্ত্রনা হয়।
মেয়েটি বললো তাহলে দেখো কেন ?
ছেলেটি বললো স্বপ্নই তো আমায় বাঁচিয়ে রেখেছে।
মেয়েটি খুব অবাক হলো বাড়ি ফিরে তার বান্ধবীদের ব্যাপারটি জানালে তারা বলে পাগল একটা।
তুই আর কাজ পেলি না শেষে একটা পাগলের প্রেমে পড়লি এর থেকে তো তোর দাদার বন্ধু ভালো ছিলো শুনলাম নাকি সে রিসার্চ করতে কানাডা যাচ্ছে এখনো সময় আছে ছেড়ে দে।
বান্ধবীদের এই কথা শুনে মেয়েটি পরের দিনই ছেলেটির কাছে গিয়ে বললো
তোমায় স্বপ্ন দেখা ছাড়তে হবে,তোমায় ভালো হতে হবে, আর নাহলে আমায় ছাড়তে হবে।
ছেলেটি জানালো আমি স্বপ্ন দেখা ছাড়তে পারবো না । আর তোমায়, তোমায় তো আমি কখনো নিজের করে পাইনি তো কি হারাবো!
আমি শুধু ভালোবেসে ছিলাম কোনোকিছু চাইতে নয়।
এটি শুনে মেয়েটি রাগ করে তার কাছ থেকে বিদায় নিল।
কিছুদিন পর কানাডাগামী দাদার বন্ধুর সাথে মেয়েটির বিয়ে ঠিক হলো।
আজ মেয়েটির বিয়ে ।
আর ছেলেটির আজ বাঁচার পরীক্ষা ছেলেটির যে ব্রেন ক্যান্সার ছিল মেয়েটি জানতো না।
আজ তারই অপারেশন।
মেয়েটির বিয়ে হয়ে গেল।
দীর্ঘ এক মাস মৃত্যুর সাথে লড়াই করে আজ ছেলেটি হেরে গেল।
মৃত্যু তার জীবন কেড়ে নিল।
আর অন্যদিকে মেয়েটি আজ হানিমুন-এ যাওয়ার জন্যে দিল্লিগামী প্লেনে চড়ে বসলো।
যাওয়ার আগে সে তার বান্ধবীদের বলে গেল।
স্বপ্নের থেকে বাস্তব অনেক সত্যি রে আর অনেক বেশি সুন্দর। স্বপ্নকে নিয়ে মানুষ বাঁচতে পারেনা রে তাই সমস্ত স্বপ্ন দেখা মানুষগুলো কোথায় যেন হারিয়ে যায়,
শুধু নিস্তব্ধ রাতে কারোর চিন্তায় যদি চোখ দিয়ে দুফোঁটা জল গড়িয়ে আসে সেটা মুছতে গিয়ে মনে হয় না ,ওটা স্বপ্ন ছিল ।
তারপর শুরু হলো মেয়েটির সুখী দাম্পত্য জীবন।
ছেলেটির সেই গোলাপ চারাটি ততদিনে জল আর ভালোবাসার অভাবে শুকনো মৃত। ছেলেটির মা চারাটি তুলে ফেলে দিলো টবে কিছু পোকা পড়ে ছিল,
সেগুলো কি পোকা?
নাকি ছেলেটির সাজানো স্বপ্ন?
আমি জানি না।
অফিসের 'আশিস' বাবু,
পাড়ায়-পরিবারে 'দুলু'।
তাঁর পুত্র -'রাহুল', 'রাজ'
আর রয়েছেন স্ত্রী- 'বুলু'।
পরিবারে,পাড়ায়,ক্লাবে
আসলে কোন সমস্যা।
এত চিন্তা করছ কেন?
দুলুদাই মোদের ভরসা।
পুজো, খেলা, অসুস্থতা,
সকল বিষয়ে উদ্যোগী।
ওনার মত পায়নি তো,
এমন নিঃস্বার্থ সহযোগী।
যতদিন ছিলেন তিনি,
পেয়েছি তাকে পাশে।
নিন্দুকেরাও সানন্দে,
তাঁকে তো ভালোবাসে।
পরোপকারী তিনি, কর্মে
সদাই তো থাকতেন ব্যস্ত।
রোগশয্যায় নিভল প্রদীপ,
বেদনা হয় অশ্রুতে ব্যক্ত।
কর্মজীবনে ছিলেন কর্মঠ,
ছিল না তো কোন ক্লান্তি।
ওনার বিদেহী আত্মার,
কামনা করি চিরশান্তি।
'১৬ই জুলাই' বছরপূর্তি,
কেটে গেছে বারো মাস।
কাজের ব্যস্ততা মাঝেই
প্রিয়জনদের দীর্ঘশ্বাস!
হৃদয়ের গভীরে বেদনা,
রয়েছে বেদনার্ত স্মৃতি।
ভুলতে চেয়েও পারে না,
হয় নাতো এসবের ইতি।
পরলোকে গমন করলেও
তিনি যেন মোদের মাঝে।
ওনার বিষয়ে আমাদের,
সত্যি গর্ব করাই সাজে।
বাৎসরিক কাজ সম্পন্ন,
নতুনরূপে শুরু সংসার।
সুখ, আনন্দ সবকিছুতে
ভরে উঠবে তো আবার।
সৃষ্টির উল্লাসে রঙ তুলি
বোলাতে ব্যাস্ত সৃষ্টিকর্তা
কার জন্য সৃষ্টি -----
সে কি কেবল নিজের তাগিদে ?
তাগিদ বড়ো বালাই :
এর পিছনেই যত রহস্য
ভালোলাগা ভালোলাগানো
এই নিয়েই চলছে খেলা
এক সময় খেলা আর খেলা থাকছে না l
জন্ম নিচ্ছে স্বার্থ -----
হতে পারে ক্ষুদ্র অথবা বৃহৎ
লক্ষ্য কিন্তু অমরত্ব l
অমরত্ব আবার এমন এক মোহ
যা কেবলই ক্রমবর্ধমান
বাড়তে বাড়তে ছেদ আসে
একসময় হটাতই ----
এর নামই বোধহয়
আবহমানের পুনরাবৃত্তি
নামহীন।









